Connect with us

North East

আলগাপুরে কংগ্রেস বহিরাগত প্রার্থী দিলে বিজেপির জয় নিশ্চিত

Published

on

নুরুল হাসান, পাঁচগ্ৰাম, ২৩ ফেব্রুয়ারিগতকাল রাজ্যে পা রেখে শিবসাগরে একটি বিশাল জনসভায় এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইঙ্গিত দিয়ে গেছেন মার্চের প্রথম সপ্তাহেই ভোটের নির্ঘন্ট ভাজতে পারে। আর এদিকে রাজনৈতিক দল গুলোর দৌড়ঝাঁপ তুঙ্গে। বিশেষ করে কংগ্রেস ইউডিএফের মহাজোট নিয়ে চর্চা সর্বত্রই। এখনও অবধি মহাজোটের আসন ভাগ বাটোয়ারা না হলেও আকার ইঙ্গিতে অনুমান করা যাচ্ছে কোন যায়গায় কে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বা কোন আসনটি কোন দলকে ছাড়া হচ্ছে। আলগাপুর আসনটি বর্তমানে ইউডিএফের দখলে রয়েছে। মহাজোটেও আলগাপুর আসনটি ইউডিএফকে ছেড়ে দেওয়ার ও প্রবল সম্ভাবনা। তা অবশ্যই সময় ই বলে দেবে মহাজোটে আসনটি কোন দলের ভাগ্যে জুটছে । আলগাপুরে কংগ্রেস কর্মীদের দাবি হাইলাকান্দি জেলার তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে আলগাপুরে কংগ্রেসের সাংগঠনিক ভীত মজবুত রয়েছে। এবং এখানে স্থানীয় ৬ জন টিকিট প্রত্যগশীর মধ্যে যেকোন একজনকে মহাজোটের প্রার্থী করার দাবি ও উথ্বাপন হচ্ছে। কিন্তু এই আসনে পাখির চোখ রয়েছে অসম যুব কংগ্রেসের সভাপতি কমরুল ইসলাম লস্করের ,,তিনি ও আলগাপুর আসনে টিকিটের দাবিদার । কমরুলকে আলগাপুরে দেখে একটু পিছ পা ফেলেছিলেন স্থানীয় টিকিট প্রত্যাশীরা । কারণ কমরুলের দলীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নেটওয়ার্ক ভালো রয়েছে । কমরুলের সঙ্গে টক্কর দিয়ে টিকিট অর্জন করা এক প্রকার অসম্ভব সব স্থানীয় টিকিট প্রত্যাশীদের পক্ষে । তাই স্থানীয় টিকিট প্রত্যাশীরাও টিকিটের আশা প্রায় ছেড়ে দিলেও মাঠ ছেড়ে পালাননি। সবাই মাঠ শক্ত করে আকড়ে ধরে রয়েছেন। যে যার মতো জনসভা করে জনসমর্থন ও আদায় করে যাচ্ছেন। গত দুই একদিনের মধ্যে একটি খবর সামাজিক মাধ্যম এবং লোকমুখে ভাইরাল হয় কমরুল ইসলাম নাকি আলগাপুর থেকে চোখ উঠিয়ে নিয়ে ভুমি পুত্র হিসেবে কাটিগড়ায় নজর দিয়েছেন। এবং সেখানে মহাজোটের প্রার্থী হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলে চর্চা হচ্ছে জনমনে। কারন তিনি হয়তো বুঝে নিয়েছেন আলগাপুরের জনগণ বহিরাগতকে মেনে নিবেন না।অনেকেই বলছেন আলগাপুর আসনটি ইউডিএফকে ছাড় দেওয়া হবে তা নিশ্চিত ভাবে আগাম খবর পেয়ে আলগাপুর ময়দানে ছেড়ে কাটিগড়ার নিজ ভুমিতে গিয়ে পা ফেলেছেন কমরুল। শুরু থেকেই খলিল মজুমদার কাটিগড়ায় মহাজোটের প্রার্থী হচ্ছেন বলে গুঞ্জন ছিল। তবে সম্প্রতি প্রার্থী রদবদলের খবর ভাইরাল হয়। তবে এর কোনো সত্যতা নেই বলে এখন শুনা যাচ্ছে।এদিকে কমরুল ইসলাম কাটিগড়ায় চলে যাওয়ার খবর ভাইরাল হতেই আলগাপুরের স্থানীয় টিকিট প্রত্যাশীদের মনে একটু আনন্দের ছাপ দেখা যায়। কারন মহাজোটের সিটিং গেটিং ফর্মুলায় আসনটি কংগ্রেসকে ছেড়ে দিলে স্থানীয় ছয় টিকিটের দাবিদার প্রাক্তন জেলা কংগ্রেস সভাপতি মহরম আল মজুমদার, অবসরপ্রাপ্ত বাস্তূকার সইফুল হক , নাসির ইন্জিনিয়াা, বিডিও আব্দুল রৌফ, বদরুুুল হক, মাইনরিটি সেলের চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন লস্কর এদের মধ্যে একজন প্রার্থী হবেন তা নিশ্চিত।আর যদি আসনটি ইউডিএফকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে মহাজোটের প্রার্থী বর্তমান বিধায়ক নিজাম উদ্দিন চৌধুরী হবেন তা নিশ্চিত। কিন্তু বাস্তবে এমন হলে মহাজোটের প্রার্থীকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে। কারন আলগাপুরে এবার মাঠ শক্ত করে আকড়ে ধরে রয়েছেন অগপ সভাপতি আফতাব উদ্দিন লস্কর। আর তিনি দলীয় টিকিট পাবেন তা ও একপ্রকার নিশ্চিত বললেও চলে। কারণ এখানে অগপ দলের টিকিট প্রত্যাশী আর কাউকে দেখা যাচ্ছে এখানে। পাশাপাশি বিজেপি ও বসে নেই তারা সংখ্যালঘু এলাকায় গিয়ে প্রচার অভিযান চালিয়ে সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের খাতিয়ান তুলে ধরে সংখ্যালঘুদের বিজেপি সরকারের প্রতি আকৃষ্ট করছে। আলগাপুরে একুশে বিধানসভা নির্বাচনে স্থানীয় প্রার্থী ছাড়া বহিরাগত কাউকে কংগ্রেসের টিকিট প্রদান করলে গত লোকসভা নির্বাচনের দশা হবে। কারন গত লোকসভা নির্বাচনে হাইলাকান্দি আসনে বিজেপি প্রার্থী কৃপানাথ মাল্লা ও এআইউডিএফ প্রার্থী রাধেশ্যাম বিশ্বাসের মধ্যে লড়াই হয়েছিল। সেই সময় জাতীয় কংগ্রেস থেকে শক্ত টিকিট প্রত্যাশী ছিলেন ঐ লোকসভা আসনের টানা দুই বারের সাংসদ ললিত মোহন শুক্লবৈধ্য। কিন্তু দল তখন তাকে প্রার্থী না করে করেছিল স্বরূপ দাসকে। যার ফলে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃতীয় স্থানে ছিল কংগ্রেস ,আর তখন বিজেপি আসনটি দখল করে। ললিত মোহন শুক্লবৈধ্যকে তখন প্রার্থী না করে বীজেপিকে জয়ের পথে এগিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে সেই সময় চর্চা হয়েছিল জনমনে। ঠিক একুশের বিধানসভা নির্বাচনে মদি আলগাপুর আসন কংগ্রেসকে ছাড় দিয়ে স্থানীয় প্রার্থীদের মধ্যে বিবেচনা করে যোগ্য কাউকে প্রার্থী না করা হয় তাহলে বিজেপির জয় নিশ্চিত এমনটাই আবাস পাচ্ছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ।

Continue Reading

North East

সাংবাদিক সুবীর দত্তের পিতৃ বিয়োগ

Published

on

যুব দর্পণ প্রতিনিধি, ২৪ জুন, শিলচর :: বিশিষ্ট সাংবাদিক সুবীর দত্তের পিতা সুকুমার দত্ত আজ সকালে ত্রিপুরার কৈলাসহর সরকারী জেলা হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত দুই দিন থেকে হৃদরোগ জনিত কারণে উনাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল । উল্লেখ্য যে, প্রয়াত সুকুমার দত্তের জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৩১ সালে। মুরারি চাঁদ কলেজ থেকে আই এস সি পাশ করে।, পরবর্তী সময়ে কোলকাতার বঙ্গবাসী কলেজ থেকে বি এস সি পাশ করে অটোমোবাইল ও রেডিও টেকনিশিয়ান এ ডিপ্লোমা কোর্স করেছেন জর্জ টেলিগ্রাফ কোলকাতা থেকে। তারপর ১৯৬৫ সালে ত্রিপুরা রাজ্যে এসে ICAT ডিপার্টমেন্টে চাকরিতে যোগদান করে ১৯৯১সালে অবসর গ্রহণ করেছেন।
উনি রেখে গেছেন স্ত্রী এক ছেলে ,এক মেয়ে , পুত্রবধূ সহ অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী

Continue Reading

Barak Valley

শিলচরে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করলো গৈরিক ভারত

Published

on

যুব দর্পণ প্রতিবেদন, ১৫ জুন ২০২১ ইং, শিলচর :: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও কার্ফুর ফলে অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারের আর্থিক অবস্তা শোচনীয় , এই কঠিন পরিস্থিতিতে শিলচরের মালুগ্রামে আবারও ত্রাণ বিতরণ করল সেচ্ছাসেবী সংগঠন ” গৈরিক ভারত ” । আজ মঙ্গলবার করোনায় আক্রান্ত বৃহত্তর মালুগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলে গৈরিক ভারতের শিলচর নগর সভাপতি কানাই দেবনাথের ব্যবস্থাপনায় ও সংগঠনের বরাক উপত্যকার কার্যকরি সভাপতি সুমিত রঞ্জন দাস, কাছাড় জেলার কার্যকরি সভাপতি টুটুল ভট্টাচার্য ও শিলচর নগর সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব নাথের বিশেষ উদ্যোগে , করোনার এই দুঃসময়ে চাউল,আলু, ভোজ্য তেল, সোয়াবিন, বিস্কুট, সহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বন্টন করা হয়। সম্পূর্ণ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে, অত্যন্ত সুশৃংখলভাবে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়।এদিনের ত্রাণ বন্টন কর্মসূচি চলাকালীন সময়ে গৈরিক ভারতের পক্ষে কাছাড় জেলার কার্যকরি সভাপতি টুটুল ভট্টাচার্য, শিলচর নগর সভাপতি কানাই দেবনাথ, সদস্যা সুপ্তা ধর বলেন, এই সেবা কাজের মাধ্যমে যারা ত্রাণ সামগ্রী সংগ্রহ করেছেন তাদের কাছে গৈরিক ভারত কৃতজ্ঞ। যারা ত্রাণ সামগ্রী সংগ্রহ করেছেন তারা এই ত্রাণ সামগ্রী সংগ্রহ করে, পুণ্য অর্জনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য গৈরিক ভারতের কর্মকর্তারা তাদের কৃতজ্ঞতা জানান। আজকের এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের সময় কাছাড় জেলার কার্যকরি সভাপতি টুটুল ভট্টাচার্য,শিলচর নগর সভাপতি কানাই দেবনাথ, শিলচর নগর সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব নাথ, বিপ্লব রায়, সুদীপ রবিদাস, গোবিন্দ সিং, সুপ্তা ধর সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

North East

SPARKS MRS ASSAM শিরোপা অর্জন করলেন শিলচরের ঝনকা ঘোষ পাল

Published

on

যুব দর্পণ সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি, ২৪ ফেব্রুয়ারি, শিলচর :: উত্তর পূর্বাঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্যাশন শো ও প্রতিযোগিতা ” SPARK ” Miss, Mrs & Mr Assam এর MRS ASSAM এর শিরোপা অর্জন করলেন শিলচরের গৃহবধূ শ্রীমতি ঝানকা ঘোষ পাল।

স্পার্ক এর উদ্যোগে উত্তর পূর্বাঞ্চল সহ কলকাতা, দিল্লী সহ বিভিন্ন স্হানের কয়েক শতাধিক প্রতিযোগিদের অডিশনের মাধ্যম নির্বাচিত করে ১১ টি জোনে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং এই ১১ জন জোনের চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারি আই টি এ মাছখোয়াতে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতার মেগা ফাইনাল ।

উক্ত প্রতিযোগিতায় বরাক উপত্যকা জোন থেকে জয়ী হয়ে মেগা ফাইনালে নিজের দক্ষতা ও প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে Mrs Assam এর শিরোপার সস্মান অর্জন করেন শিলচরের তরুণ নৃত্যশিল্পী ঝনকা ঘোষ পাল । Mrs Assam শিরোপা অর্জন করে শিলচরের সস্মান বাড়ানোর জন্য শ্রীমতি ঝনকা ঘোষ পাল কে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, বিশিষ্ট জনেরা উনার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

Continue Reading

Trending